একটি দোকানের কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, উচ্ছেদের বিরুদ্ধে দোকানমালিকেরা হাইকোর্টে রিট করেছেন। এরপর তাঁরা (দোকানমালিকেরা) বালিয়াড়িতে নতুন করে দোকানপাট বসানো শুরু করেন। ১২ মার্চ উচ্ছেদের আগে এই দোকান টানা ১০ বছর এখানে ছিল। দোকানে কাপড়চোপড়-আচার, চকলেটসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি হচ্ছে।
পাশে ত্রিপলের ছাউনির নিচে ভ্যানগাড়ি দিয়ে বসানো কয়েকটি দোকানেও বিক্রি হচ্ছে শামুক-ঝিনুক, আচার, চা, পান-সিগারেট, প্রসাধনসামগ্রী ইত্যাদি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সৈকত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জেলা প্রশাসনের নিয়োগকৃত একজন বিচকর্মী বলেন, ঈদের আগের রাত থেকে ঝুপড়ি দোকান বসানোর কাজ শুরু হয়। গত কয়েক দিনে চার শতাধিক দোকানপাট বসানো হয়েছে। সকাল সাতটা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দোকানসমূহে বেচাবিক্রি চলে। বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
পরিবেশবিষয়ক সংগঠন ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস) চেয়ারম্যান মুজিবুল হক বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে আবারও প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সৈকতের বালিয়াড়ি দখল করে শত শত অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ-পর্যটকসহ সাধারণ মানুষকে হতাশ করছে। এর দেখাদেখি অনেকে সুগন্ধা, কলাতলী, সিগাল পয়েন্টের বালিয়াড়ি ও ঝাউবাগান দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করছেন। এমনকি কলাতলী সৈকতের বালিয়াড়িতে সৃজিত সাগরলতা এলাকা ঘিরে সেখানে রেস্তোরাঁ তৈরি ও বাজার বসানো হয়েছে।
