এই বিষয়ে বিভিন্ন দেশের সরকারকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ‘অ্যালায়েন্স টু সেভ আওয়ার অ্যান্টিবায়োটিকস (এএসওএ)’-এর প্রতিনিধি কোইলিন নুনান। তবে তিনি এফএওর ওই প্রতিবেদনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। দ্য গার্ডিয়ানকে তিনি বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের সবচেয়ে বাজে অপব্যবহার হলো পশুর বৃদ্ধির জন্য এটি ব্যবহার করা। এই প্রথা বন্ধ করতে গেলে কিছু খরচ তো হবেই।’

নুনান আরও বলেন, ‘কিন্তু এফএওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গবাদিপশুতে অ্যান্টিবায়োটিক–প্রতিরোধী ক্ষমতা বাড়লে এর অর্থনৈতিক প্রভাব আরও ভয়াবহ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। এর ফলে উৎপাদন কমবে এবং খাদ্যের দাম বেড়ে যাবে।’

এফএও মনে করে, অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতাকে বৈশ্বিক জনসম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। তাই গুরুত্বপূর্ণ এই ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার রোধে সরকারগুলোকে অবশ্যই পদক্ষেপ নিতে হবে।

নুনান বলেন, ‘সমাধান হলো—খামারে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে আরও ভালো নীতিমালা প্রণয়ন করা। পাশাপাশি পশুর রোগ কমানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা। আমাদের মতে, গাদাগাদি করে রাখা, অস্বাস্থ্যকর ও পশুর জন্য পীড়াদায়ক খামার ব্যবস্থা থেকে সরে আসতে হবে। এর বদলে স্বাস্থ্যসম্মত খামার ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যেখানে অ্যান্টিবায়োটিকের খুব একটা প্রয়োজনই পড়বে না।’



Source link