কয়েকটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ও কর্মচারী জানান, প্রতিটি লরিতে (তেলবাহী ট্রাক) ডিজেল, পেট্রল, অকটেনের জন্য তিনটি চেম্বার থাকে। ডিপো থেকে শুধু ডিজেল পেয়েছেন। বাকি দুটি চেম্বার খালি। এতে পরিবহন খরচও বাড়ছে।
পাম্পগুলোয় দৈনিক পেট্রলের চাহিদা রয়েছে ৭০০ থেকে দেড় হাজার লিটার, অকটেন ৩৫০ থেকে ৭০০ লিটার। আর ডিজেলের চাহিদা দুই হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার। তারা ঈদের আগে জ্বালানি পেয়েছেন; তাও অর্ধেক।
ঠাকুরগাঁওয়ের চৌধুরী ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী বলেন, ‘গত শুক্রবার তেল পেয়েছি। তিন দিন পর আজ সাড়ে তিন হাজার লিটার পেট্রল পেলাম। সন্ধ্যায় গাড়ি এসে পৌঁছাবে। রেশনিং পদ্ধতিতে (প্রতিজন ২০০ টাকার) দেওয়া ছাড়া উপায় নাই। এখানে আমাদের হাতে কিছু নাই। ডিপো থেকে তেল না পেলে আমরা কী করব?’
