ঢাকার বাসাবো থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা ব্যবসায়ী কাজল কান্তি দাশ বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হলেও কক্সবাজারে প্রচণ্ড গরম। তবে সমুদ্রের পানিতে নামলে স্বস্তি পাওয়া যায়। সৈকত ফাঁকা থাকায় গোসল করতেও ভালো লাগছে।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে আসা কামরুন্নেছা বলেন, লম্বা ছুটিতে পরিবারের সঙ্গে কক্সবাজারে এসেছেন। সকালে সমুদ্রে গোসল করেছেন, দুপুরে ঘোড়ার পিঠে বসে ছবি তুলছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়ার জন্য।

সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বেসরকারি সি-সেফ লাইফগার্ডের সুপারভাইজার সিফাত সাইফুল্লাহ বলেন, এক সপ্তাহ আগেও সুগন্ধা সৈকতের এক কিলোমিটার এলাকায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল। কয়েক দিন ধরে সৈকত ফাঁকা যাচ্ছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৭০০ পর্যটক গোসলে নামছেন। তবে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিন থেকে পর্যটকের চাপ বাড়বে।

কক্সবাজার শহর ও সৈকত এলাকায় পাঁচ শতাধিক হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউস রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের দৈনিক ধারণক্ষমতা প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার। কক্সবাজার হোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমানে শহরের হোটেলগুলোয় প্রায় চার হাজার পর্যটক অবস্থান করছেন। ঈদ উপলক্ষে এখনো অধিকাংশ হোটেল খালি।



Source link