একটু সামনে এগিয়ে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে একটি ট্যানারির কর্মীরা কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করছিলেন। সেখানে গেলে ফারুক প্রতি পিস চামড়ার দাম চান ৮০০ টাকা করে। কিন্তু ট্যানারির কর্মীরা ৬০০ টাকা দাম দিতে চান। এখানেও দামে বনাবনি না হওয়ায় ফারুক অন্যত্র চলে যান।
এ সময় জানতে চাইলে ফারুক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, গত বছর এই চামড়া ৮০০-৯০০ টাকা করে বিক্রি করেছিলাম। এবার দাম কম। ৭৫০ টাকা হলেও ছেড়ে দিতাম। কিন্তু ৬৫০ টাকার ওপরে কেউ দাম বলছেন না। এখন অন্য কোথাও গিয়ে দেখব, দাম বেশি পাই কি না।
রাজধানীর কলাবাগান এলাকায় আজ দুপুরে চামড়া কিনছিলেন ফরিয়া মো. শাহজাহান৷ তিনি চামড়া কিনে তা ট্যানারিতে সরবরাহ করেন। আজ বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত তিনি মৌসুমি ব্যবসায়ী ও মাদ্রাসা থেকে ৫৫ পিস চামড়া কিনেছেন। এসব চামড়ার গড় দাম দিয়েছেন ৬৫০ টাকা করে।
মো. শাহজাহান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এবার চামড়ার দাম একটু কম। ট্যানারিমালিকেরা আমাদের বলেছেন, গত বছরের তুলনায় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিকের দাম ও উৎপাদন খরচ বেড়েছে। ফলে তাঁরা ৬০০-৭০০ টাকার বেশি রেট (দাম) দেবেন না। এ জন্য আমরাও গত বছরের তুলনায় ১০০-১৫০ টাকা কমে কিনছি। তাতে শেষ পর্যন্ত প্রতি পিস চামড়ায় আমাদের ৫০-৬০ টাকা করে লাভ থাকবে।’ তবে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা এবার দাম কম পাচ্ছেন বলে স্বীকার করেন তিনি।
