সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্র জানায়, গত বছরের এপ্রিলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহের পরিচালক আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসানের স্বাক্ষরিত চিঠিতে শিশু হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম চালুর জন্য কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং কী কী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন আছে, তা জানতে চাওয়া হয়।

সিভিল সার্জনের কার্যালয় হাসপাতালের পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করতে প্রশাসনিক অনুমোদন, অর্থ বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় সংখ্যক জনবলের পদ সৃজন, ওষুধসামগ্রী, এমএসআর (সিরিঞ্জ, ইনজেকশন নিডল, ক্যানুলা, ক্যাথেটার, গজ, ব্যান্ডেজ, তুলা, সার্জিক্যাল সুতা ইত্যাদি), পথ্য ও অন্যান্য সব খাতের তথ্য পাঠায়। এরপর গত বছরের ৫ অক্টোবর ১০০ শয্যার সেবা কার্যক্রম চালুকরণে অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
জেলা সিভিল সার্জন শাহীন সুলতানা প্রথম আলোকে বলেন, হাসপাতাল চালু না হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ জেলা উন্নয়ন কমটির সভায় কয়েকবার তুলেছেন তিনি। আর এটি চালু করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করার কথা জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান।

ছয় বছরেও শিশু হাসপাতালটি কেন চালু হলো না, তা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মন্তব্য করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) রংপুর জেলা কমিটির সভাপতি খন্দকার ফখরুল আনাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, জনগণের টাকায় নির্মিত এত সুন্দর হাসপাতালটি কেন, কার অযোগ্যতায় চালু হলো না, এটা কি আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নাকি দায়িত্বহীনতা, তা খতিয়ে দেখা উচিত। একই সঙ্গে আধুনিক সেবাবান্ধব একটি শিশু হাসপাতাল হিসেবে এটি চালু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।



Source link