পিআইওকে মারধরের ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়েছিলেন মামুনুর। গতকাল রাতে দিনাজপুর শহর থেকে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানা–পুলিশের সহায়তায় মামুনুর রশিদকে গ্রেপ্তার করে রানীশংকৈল থানার পুলিশ।
পুলিশ জানায়, ৭ এপ্রিল রাত ৯টার পর রানীশংকৈল উপজেলা পরিষদ ভবনে নিজ কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন পিআইও নুরনবী সরকার। এ সময় মামুনুর রশিদ লোকজন নিয়ে সেখানে যান। রাতে কার্যালয় খোলা নিয়ে পিআইওর সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মামুনুর রশিদ ও তাঁর সহযোগীরা পিআইওকে মারধর করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা-কর্মী এসে পিআইওর পক্ষে অবস্থান নেন। এ সময় ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মামুনুর রশিদ ও তাঁর সহযোগীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর ওই দিন রাতেই পিআইও নুরুন্নবী সরকার বাদী হয়ে মামুনুর রশিদসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে রানীশংকৈল থানায় একটি মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে রয়েছেন রানীশংকৈল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান ও সদস্য রাকিব ফেরদৌসও। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে রানীশংকৈল পৌর শহরের ভান্ডারা এলাকা থেকে জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করে থানা–পুলিশ।
